Saturday, 6 February 2016

স্মৃতি

সায়ক চক্রবর্তী

আলো গুলো একে একে নিভে গেছে শহরের বুকে নেমে এসেছে একমুঠো অন্ধকার।যা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এখানে ওখানে,যার সাথে মিশে আছে এক অজানা রহস্য। 
তখনও রাস্তার পাশের কেকের দোকানটার বড় আলোটা নেভেনি,দূর হতে কিছু আবছায়ার ঘোরাঘুরি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।ডাস্টবিন কুরেকুরে খাচ্ছে তারা।
পাশের বাস স্টপেজটায় শিশুটি ছোট্ট পুতুলকে আগলে ঘুমোচ্ছে আর পুতুলটিকে শীতের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য জাপটে ধরে আছে।পাশেই কোথায় শোনা যাচ্ছে বোতলের টুংটাং শব্দ,কে যেন একফোঁটা জলের জন্য হাতরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু তার হাতে শুধুই ফাঁকা রঙিন বোতল এসে ধরা দিচ্ছে।তখনও ঋজু বাড়ি ফেরেনি, তার মা খাবার টেবিলেই ঘুমিয়ে পড়েছে। হঠাৎই তার মায়ের ওয়াচম্যানের বাঁশির শব্দে ঘুম ভেঙে গেল,ঘড়িতে ২টো বেজে ১০।অস্বস্তির মুঠোফোন টাও বন্ধ বলছে।
তার মা উঠে তার শোয়ার ঘরে যেতেই খুলে ফেললো তার পড়ার টেবিলের ড্রয়ারটা কিছু সময় অবকাশের পর হাতে এলো........

সময়ের কাঁটা ৪এর ঘর ছুঁই ছুঁই। আর ভেশে আসছে না বোতলের টুংটাং, আবছায়া গুলোও অন্ধকারে মিলিয়ে গেছে।
ঋজুর হাত গিয়ে পড়ল কলিং বেলে।দু-তিনবার বাজার পর দেখল দরজাটা খোলাই আছে। সে ভিতরে ঢুকে খাওয়ার ঘরে যেতেই দেখল তার জন্য একটা বড়দিনের কেক ও পাশে পড়ে থাকা একটি চিঠি তাতে লেখা আছে " তোর বাবাকে হারিয়েছিলাম এই বড়দিনের শেষে..........."

No comments:

Post a Comment